শুক্রবার   ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ১৬ ১৪২৬   ০৪ রজব ১৪৪১

২০

লজ্জা পেলেন নজরুল, লজ্জাবিমুখ বিএনপির হাইকমান্ড!

ডেস্ক নিউজ

প্রকাশিত: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কারাবাসের দুই বছর পূর্ণ হলো গত ৮ ফেব্রুয়ারি। ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় কারান্তরীণ হন তিনি। বিএনপি নেত্রীর কারাবাসের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে নানা কর্মসূচির আয়োজন করলেও সেগুলোকে বিশেষ মূল্যায়ন করতে পারছেন দলের নীতিনির্ধারক পর্যায়ের নেতারা। ক্ষোভ বিরাজ করছে তৃণমূল কর্মীদেরও মাঝে।

এমন প্রেক্ষাপটে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে না পারায় লজ্জা পেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ২০ দলীয় জোটের সমন্বয়ক নজরুল ইসলাম। তিনি বলছেন, আমি ও আমার মতো অনেকেই লজ্জা পেলেও হাইকমান্ডের লজ্জা হচ্ছে না। আর তাই দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি হচ্ছে না।

রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ২০ দলীয় জোটের সমাবেশ থেকে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

নজরুল ইসলাম বলেন, গণআন্দোলন আজান দিয়ে আসে না ওটা ঘটে। কিন্তু বিএনপির হাইকমান্ড সে আন্দোলন তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা লজ্জিত, খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার জন্য যে ধরনের আন্দোলন প্রয়োজন, তা গড়ে তুলতে পারেনি বিএনপি।

নজরুল ইসলাম আরও বলেন, ঘুম ভেঙে না জাগলে আমজনতা একদিন বিএনপিকে ভুলে যাবে। যে প্রক্রিয়ায়, যেভাবে খালেদা জিয়া মুক্ত হতে পারে সে প্রক্রিয়ায় খেয়াল করুন। নিজ নিজ ব্যবসায় মনোযোগ দিয়েছেন ভালো কথা কিন্তু যেসব নেতারা আজ কোটিপতি তারা তো দলের বদৌলতেই কোটিপতি- এটা বুঝতে হবে। সত্য বলতে আমি দ্বিধা করি না।

নজরুল ইসলাম খানের এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে রাজনৈতিক বিশ্লেষক বিভুরঞ্জন সরকার বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তিতে দলীয় অবহেলা নিয়ে বিএনপি নেতারা একে অপরের পিণ্ডি চটকাচ্ছেন। কিন্তু কেউই দোষ নিজের ঘাড়ে নিচ্ছে না। নজরুল ইসলাম তার বক্তব্যে দুটি বিষয়ে আলোকপাত করেছেন বলে আমার মনে হয়েছে। এক, অর্থবিত্ত। দুই, লজ্জা। অর্থবিত্তের প্রাচুর্যে যে লজ্জা কমে যায় সেটিই তিনি বিএনপি নেতাদের দিকে ইঙ্গিত করেছেন। সুতরাং বিত্তের মায়ায় বিএনপি নেতারা যে পথে নামছে না সেটিই উচ্চকিত হচ্ছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ
এই বিভাগের আরো খবর